প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৪ নভেম্বর ২০১৫

ইইউ অ্যাসিসটেড স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম

ইইউ অ্যাসিসটেড স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম

সরকার দেশের শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ২০০৯ সনে ইইউ অ্যাসিসটেড স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম হাতে নেয় । প্রাথমিক বিদ্যালয়গামী শিশুদের শিক্ষা অর্জনে খাদ্যাভাব যেন প্রতিবন্ধক হতে না পারে সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার বিদ্যালয়ে পাঠদান চলাকালে শিক্ষা র্থীদের মাঝে হালকা খাবার সরবরাহের উদ্যোগ নেয়।  শুরুতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনুদানের অর্থে দেশের অনগ্রসর ১০টি উপজেলার কেবল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পুষ্টিমানসমৃদ্ধ বিস্কুট বিতরণ সীমাবদ্ধ থাকলেও 2013 সন হতে বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে প্রকল্প এলাকার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও (বেশির ভাগই এখন সরকারি) এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বিদ্যালয়ে অবস্থানকালে ক্ষুধা নিবৃত্তি, পুষ্টি চাহিদা পূরণের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে অস্বচ্ছল এলাকার শিশুদের ভর্তি ও উপস্থিতির হার বৃদ্ধি এবং বিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার কমানো এ প্রকল্পের লক্ষ।  জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি ২০০৮ সনের ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১০ উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিস্কুট বিতরণ সংক্রামত্ম প্রস্তাব পর্যালোচনা করে সেটিকে কর্মসূচি হিসেবে অনুমোদন করে, মন্ত্রণালয় হতে এ কর্মসূচির প্রশাসনিক অনুমোদন পত্র জারি হয় ২১/০১/২০০৯ তারিখে। প্রকল্প দলিল সংশোধন করা হয় ০৬/০৩/২০১২ খ্রি. তারিখের একনেক সভায়। সরকারের পরীক্ষামূলক এ প্রকল্প সমাপ্ত হবে ৩১/১২/১৫ তারিখে ।

 

 

  • বান্তবায়ন সংস্থা: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
  • সুবিধাভোগী: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লক্ষ ৫০ হাজার ০৮১ জন ও সংযুক্ত মাদরাসায় ১৯ হাজার ৮৫৩ শিক্ষার্থী, নয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৪৪৩ জন ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০ হাজার ৬৮৬ শিক্ষার্থী, মোট ৪,১৭,২১০ শিক্ষার্থী ; স্বতন্ত্র  ইবতেদায়ী মাদরাসার ২৯ হাজার ৮৯০ জন শিক্ষার্থীকে প্রকল্পের আওতায় আনার প্রস্তাব বিবেচনাধীন রয়েছে।

 

 

অর্থের উৎস :  বাংলাদেশ  সরকার  ও ইউরোপীয়  ইউনিয়ন । 

 

বরাদ্দ অর্থ  :   মোট  ২০৩৩৬.৩৪ লক্ষ টাকা। বাংলাদেশ সরকার  হতে  প্রাপ্য  ৭৫৩৬.৬০ লক্ষ  টাকা । প্রকল্প সাহায্য  ১২৭৯৯.৭৪ লক্ষ টাকা । এছাড়া ইউরো-

                টাকার বিনিময় হার থেকে প্রকল্প দপ্তর ১৬৩০.৭২ লক্ষ টাকার সুবিধা পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

ক্রমপুঞ্জিত ব্যয়  :  জুন ’১৫ পর্যন্ত ১৮৯৩৭.৭২ লক্ষ টাকা। বাংলাদেশ সরকার  হতে  প্রাপ্ত  ৫৫৬১.৪১ লক্ষ টাকা ও প্রকল্প সাহায্য  ১৩৩৭৬.৩১ লক্ষ টাকা ।

                      আর্থিক অগ্রগতি %:  ৯৩.১২।

 

 

                            ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে ব্যয় ৩৩৬৪.৩২ লক্ষ টাকা। সরকারের মঞ্জুরি ১৮৫১.৭৬ লক্ষ  টাকা ও প্রকল্প সাহায্য ১৫১২.৫৬ লক্ষ টাকা।

 

বিস্কুটের উপাদানসমূহঃ

 

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির প্রস্তুত-প্রণালি অনুযায়ী বিস্কুট তৈরি করা হয়। গমের ময়দা - ৬৯%, চিনি - ১২%, উদ্ভিজ তেল - ১৩%, সয়া ময়দা- ৬%, খামির তৈরির উপকরণ (বেকিং সোডা ও অ্যামোনিয়াম বাইকার্বোনেট)- ১%, আয়োডিনযুক্ত লবণ- ০.৫% এছাড়া প্রতিটি বিস্কুটে প্রয়োজনীয় পরিমাণ আয়োডিন, নিয়াসিন, দস্তা, লোহা, ভিটামিন এ-রেটিনল, ভিটামিন বি১, ভিটামিন বি২, ভিটামিন বি৫, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি১২, ভিটামিন সি, ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই ও ফলিক এসিড থাকে। প্রতি ১০০ গ্রাম বিস্কুটের পুষ্টিমান খাদ্যশক্তি - ৪৫০ কিলোক্যালোরি, আমিষ - ১০-১৫ গ্রাম, আর্দ্রতা - ৪.৫%, চর্বি - ১৫ গ্রাম, ক্যালসিয়াম - ১২৫ মিগ্রা, ম্যাগনেসিয়াম - ৭৫ মিগ্রা । জীবাণুর আক্রমন খুব কম হয় বলে এ শুকনো খাবারের সংরক্ষণকাল সবচেয়ে দীর্ঘ । এ বিস্কুট একজন শিশু বা কিশোরের শরীরে দৈনিক ৩৩৮ কিলোক্যালোরি খাদ্যশক্তি যোগান দেয়। তৈরির তারিখ থেকে এ বিস্কুটের মেয়াদ নিশ্চিতরূপে ছয় মাস।

 

বিস্কুট খাওয়ার নিয়মাবলিঃ

 

প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীকে দৈনিক ৭৫ গ্রাম পুষ্টিমানসমৃদ্ধ বিস্কুটের একটি প্যাকেট দেওয়া হয়। প্রতি প্যাকেটে সচরাচর ৮টি বিস্কুট থাকে । স্কুল শুরুর পর প্রথম পিরিয়ডে শ্রেণি শিক্ষক সংশ্লিষ্ট শ্রেণিতে বিস্কুট বিতরণ করেন। বিস্কুট গ্রহণের পূর্বে ছাত্রছাত্রীরা ভালো করে পরিষ্কার পানি দিয়ে হাত  ধোয়। একসাথে প্যাকেটের সব বিস্কুট না খেয়ে প্রতি ক্লাশ সময়ে  ২/৩ টা করে বিস্কুট শিক্ষার্থীরা খায় ও বিশুদ্ধ পানি পান করে। সরবরাহকৃত বিস্কুট শিক্ষার্থীদের বাড়ি নিয়ে যাওয়া নিষেধ। শিক্ষার্থীরা বিস্কুট খাওয়ার পর খালি প্যাকেট নির্দিষ্ট স্থানে ফেলে। খালি প্যাকেট ফেলার জন্য প্রতিটি শ্রেণিকক্ষের নির্দিষ্ট স্থানে একটি ঝুড়ি রাখা হয়। প্রধান শিক্ষক  তার বিদ্যালয়ে  বিস্কুট  বিতরণ  কার্যক্রম  সার্বিকভাবে তত্ত্বাবধান করেন।

 

মান নিয়ন্ত্রণ:

 

প্রতিটি বিস্কুট কারখানায় মান নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা ও খাদ্য প্রযুক্তিবিদ রয়েছেন। উৎপাদন ও সরবরাহ প্রক্রিয়ার সকল স্তরে, গুদামে সংরক্ষণে ও কারখানা হতে গুদাম ও গুদাম হতে প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত পরিবহণে সর্বোচ্চ যত্ন নেয়া হয় । স্পেনীয় সংস্থা ইনকাটেমা কনসাল্টিং এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এসএল ও এসজিএস বাংলাদেশ লি. প্রকল্পের বিস্কুটের  মান  নিয়ন্ত্রণ করে।

 

 

কারখানা ও বেসরকারি সংস্থার দায় :

 

 

প্রকল্প এলাকায় পুষ্টিমানসমৃদ্ধ বিস্কুট সরবরাহের জন্য ও এসব বিস্কুট ১০ উপজেলার গুদামে সংরক্ষণ ও প্রতিনিয়ত বিদ্যালয়ে বিদ্যালয়ে পৌঁছানোর জন্য প্রকল্প দপ্তরের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে যথাক্রমে ৮টি বিস্কুট কারখানা ও ৬টি বেসরকারি সংস্থা।  বিস্কুট কারখানাগুলো বিস্কুট উপজেলাস্থ গুদামে পৌঁছায় এবং বেসরকারি সংস্থাসমুহ বিস্কুট গুদাম হতে বিদ্যালয়ে বিদ্যালয়ে পৌঁছে দেয় । বেসরকারি   সংস্থাসমূহ  বিভিন্ন  ধরনের পোস্টার ও  লিফলেট বিতরণ করে,  বিলবোর্ড টাঙ্গিয়ে ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি ও অভিভাবকদের সঙ্গে সভা করে প্রকল্প  বাসত্মবায়নে সহায়তা করে। প্রকল্প  অফিস থেকে প্রতিনিয়ত  প্রধান  শিক্ষকদের  সাথে যোগাযোগ  করা হয় । 

 

 

প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা :

 

  • প্রকল্প  দলিল দ্বিতীয় সংশোধন  প্রস্তাব ২৬/০৪/১৫ তারিখে মন্ত্রণালয়ে পাঠনোর পর তা ০৯/০৬/১৫ তারিখে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ  প্রকল্প দলিল সংশোধন উদ্যোগ দাতা সংস্থাকে  অবহিত করলে তারা আগস্ট ১৫ মাসে সংশোধন প্রস্তাবে সম্মতি জ্ঞাপন করে।  পরিকল্পনা কমিশিন ১২/১০/১৫ তারিখে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভা করেছে। প্রকল্প দলিল দ্বিতীয় সংশোধন প্রস্তাব দীর্ঘদিনেও অনুমোদন না হওয়ায় ও অর্থ ছাড় না হওয়ায় ১০ উপজেলায় গুদামে বিস্কুট সংরক্ষণ ও বিদ্যালয়ে বিদ্যালয়ে বিতরণের  দায়িত্বে নিয়োজিত ৬টি বেসরকারি সংস্থা ও বিস্কুট মান নিশ্চয়তা বিধানের জন্য নিয়োজিত মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা জানুয়ারি ২০১৫ হতে  টাকা পাচ্ছে না।

 

 

 

 প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থী সংখ্যা  :

 

ইইউ সহায়তাপুষ্ট স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের আওতায় দেশের ১০টি উপজেলায় ৬৩৭টি পুরনো সরকারি, ৬১২টি নতুন সরকারি ও ৯৫টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যথাক্রমে ২৫৮৮৮০, ১৪৩৬৩১ ও ২২০৬১ জন শিক্ষার্থীর মাঝে প্রতি বিদ্যালয় দিবসে পুষ্টিমানসমৃদ্ধ বিস্কুট বিতরণ করা হয়।

 

জেলা

উপজেলা

প্রাথমিক বিদ্যালয় সংখ্যা

শিক্ষার্থী সংখ্যা

সরকারি

নয়া সরকারি

 

বেসরকারি

 

 মোট

সরকারি

নয়া সরকারি

বেসরকারি

মোট

হবিগঞ্জ

লাখাই

৫২

১৯

৭১

২১,৫০৭

৪,৮৬৪

২৬৩৭১

সুনামগঞ্জ

ধর্মপাশা

৯৯

৮৭

১৯০

২৬,৬৩৩

১৫,৪৯৭

৫৬২

৪২৬৯২

নেত্রকোনা

কলমাকান্দা

৭৯

৭৬

২৯

১৮৪

২৬,৪৫৮

১৬,০৩২

৫৩৭৭

৪৭৮৬৭

জামালপুর

দেওয়ানগঞ্জ

৬১

৭৩

২৯

১৬৩

২৭,৩০২

২২,১৮৭

৬০৬৩

৫৫৫৫২

যশোর

ঝিকরগাছা

৭৭

৫২

১৩৫

২৬,৫০৩

১০,৯১৯

১০৩১

৩৮৪৫৩

পাবনা

বেড়া

৬৫

৪৬

১১৩

২৮,০৪৫

১৩,৫৫২

২৬৯

৪১৮৬৬

লালমনিরহাট

হাতিবান্ধা

৬৩

১১৩

১৩

১৮৯

১৯,৮৭০

২৪,৭৪১

২১৮২

৪৬৭৯৩

লক্ষ্মীপুর

রামগতি

৫৬

৩৭

৯৫

২৮,১৫১

১৩,৮৬৩

৭০১

৪২৭১৫

কক্সবাজার

মহেশখালী

৪৮

১৮

৭০

৩৫,১৭৭

৯,৫৫৫

১৫৮৩

৪৬৩১৫

পটুয়াখালী

দশমিনা

৪২

৮৭

১৭

১৪৬

১০,৪৩৫

১৫,২৩৩

২৯১৮

২৮৫৮৬

মোট

৬৪২

৬০৮

১০৬

১,৩৫৬

২,৫০,০৮১

১,৪৬,৪৪৩

২০,৬৮৬

৪,১৭,২১০

 

 

 

ভর্তি ও ঝরে পড়ার হার:

 

জুলাই ‘১১ হতে জুন ‘১৫ পর্যমত্ম প্রকল্প এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা ২৩০৪৪৬১৬০  প্যাকেট বিস্কুট খেয়েছে। বিস্কুট বিতরণ শুরু করার সাড়ে ৩ বছরের মাথায় প্রকল্প এলাকায়  ভর্তি হার বেড়েছে ৬.৮৬% ও ঝরে পড়ার হার কমেছে ৪.৩৩%। এ সম্পর্কিত উপজেলাওয়ারি তথ্য নিমণরূপ:

 

ক্রমিক নম্বর

উপজেলার নাম

ভর্তির হার

ঝরে পড়ার হার

সাড়ে ৩ বছরে পরিবর্তন

জুন ২০১১

ডিসেম্বর ২০১৪

জুন ২০১১

ডিসেম্বর ২০১৪

ভর্তির হার বৃদ্ধি

ঝরে পড়ার হার হ্রাস

লাখাই

৮৯.৮৩ %

৯৯.৯৩%

১৩.৫৭%

৫.৪%

১০.১০%

৮.১৭%

ধর্মপাশা

৮৬.৩৫%

৯৯.৯%

১৪.৬৭%

৬.৫%

১৩.৫৫%

৮.১৭%

কলমাকান্দা

৯৬.৩৮%

৯৯.৭৪%

১৩.৫২%

১২.০৮%

৩.৩৬%

১.৪৪%

দেওয়ানগঞ্জ

৯৯.১%

৯৯.২৫%

১৫.০১%

৯.২%

.১৫%

৫.৮১%

ঝিকরগাছা

১০০%

১০০%

১৩%

৮.১%

%

৪.৯০%

হাতিবান্ধা

১০০%

১০০%

৪.২%

৩.৫%

%

.৭০%

বেড়া

১০০%

১০০%

১১%

১০%

%

১%

রামগতি

৮৮%

৯৬%

১০%

৪%

৮.০০%

৬%

মহেশখালী

৯০%

৯৬%

১১%

৮%

%

৩%

১০

দশমিনা

১০০%

১০০%

১১%

৭.৪৩%

%

৪.১৪%

মোট

৯৪.৯৬%

৯৯.০৮%

১১.৭৫%

৭.৪২%

৬.৮৬%

৪.৩৩%

 

উপসংহার:

সরকারের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে শুকনো খাবার নিয়মিতভাবে সরবরাহের এটি প্রথম কর্মসূচি।  এর বাস্তবায়নে নানা প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতা হতে সুষ্ঠুভাবে পথ চলার দিশা ও অভিজ্ঞতা নিয়ে আগামী দিনের এ ধরনের বৃহত্তর কর্মযজ্ঞে নতুন গতি সঞ্চার করা যাবে বলে আশা করা যায়। এটি  ক্ষুধা নিবৃত্তি, পাঠে মনোযোগ বৃদ্ধি এবং অপুষ্টিজনিত রোগ নিরাময়ে কার্যকর। মর্মে দাতা সংস্থা কর্তৃক ২০১২ সনে পরিচালিত মধ্য-মেয়াদি মূল্যায়নে প্রতিভাত হয়েছে। অপুষ্টি শিশুর অপার সম্ভাবনাকে বাধাগ্রস্থ করে। প্রকল্প এলাকার কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে প্রতি বিদ্যালয় দিবসে পুষ্টিকর বিস্কুট প্রদান তাদের নিরাপদ জীবন গড়ে তোলার চমৎকার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

 

 

ইইউ অ্যাসিসটেড স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম ইইউ অ্যাসিসটেড স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম

Share with :
Facebook Facebook