গণপ্রজাতমএী বাংলাদেশ সরকার প্রাথমিক বৃত্তি পরিচালনা নীতিমালা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বাংলাদেশ, ঢাকা ভূমিকা প্রাথমিক শিক্ষা সকল শিক্ষার বুনিয়াদ। বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষা পাঁচ বছর মেয়াদি। ছয় থেকে দশ বছর (৬+-১০+) বয়েসী শিশুরা এ সতরে লেখাপড়া করে। প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক এবং অবতনিক। এস্তরে মাতৃভাষা, ইংরেজি, গণিত, পরিবেশ পরিচিতি(সমাজ), পরিবেশ পরিচিতি(বিজ্ঞান), ধর্ম, চারত ও কারতকলা, শারীরিক শিক্ষা এবং সংগীত বিষয় শিক্ষা দেয়া হয়। শিশুর মেধা ও সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের দিকে খেয়াল রেখে বিষয়গুলোর পাঠএুম ও পাঠ্যসূচি প্রণয়ন করা হয়। প্রাথমিক শিক্ষাদান সুন্দর ও সার্থক হলেই আজকের শিশুরা আগামী দিনে আদর্শ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে এবং ভবিষ্যতে দেশের উন্নয়ন ও দেশ পরিচালনায় যথাযথ অবদান রাখতে সক্ষম হবে বলে মনে করি। সুতরাং জাতীয় স্বার্থে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা আমাদের সকলের নতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। প্রাথমিক শিক্ষায় প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষা ছাড়া জাতীয়ভাবে শিশুদের মেধা যাচাইয়ের অন্য কোন ব্যবসহা নেই। দেশের পঞ্চম শ্রেণীর শিশুরা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী সকল শিশুকে বৃত্তি প্রদান না করা গেলেও সঙ্গত কারণে সকলে ভাল নম্বর পেয়ে পাশ করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। এদের মধ্যে যারা বেশি নম্বর পেয়ে পাশ করবে তাদের জন্য রয়েছে কোটাভিত্তিক থানা/উপজেলাওয়ারি মেধাবৃত্তি ও ওয়ার্ড/ইউনিয়ন/থানা/উপজেলাওয়ারি সাধারণবৃত্তি। এ বৃত্তি ছেলে এবং মেয়েদের মধ্যে সমবন্টনের ব্যবসহা রয়েছে। এক্ষেত্রে শহর ও গ্রামের সকল শিশুর প্রতি সমান গুরতত্ব আরোপ করা হয়ে থাকে। পূর্বে জনশিক্ষা পরিদপ্তর কর্তৃক বৃত্তিপরীক্ষা পরিচালিত হতো। ১৯৮১ সালে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সৃষ্টি হওয়ার পর থেকে বৃত্তিপরীক্ষা কার্যএুম প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পরিচালনা করে আসছে। প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা পরিচালনার জন্য ২০০৫-এ একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। উওু নীতিমালায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেসরকারি নিমণমাধ্যমিক/মাধ্যমিক সংলগ্ণ অনুমোদিত/একাডেমিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়, রেজিস্টার্ড কিন্ডার গার্টেন-এর ৫ম শ্রে্র্রণীতে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রীদের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়। অপরদিকে দেশে বিদ্যমান অন্যান্য শ্রেণীর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিশেষ করে নিবন্ধিত নয় এমন বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চ/নিমণ মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয়, আনরেজিস্টার্ড কিন্ডারগার্টেন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ব্যাপারে অসামঞ্জস্য পরিলক্ষিত হয়। এরদপ পরিসিহতিতে গণপ্রজাতমএী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৭-এর "খ' ধারার অালোকে এবং Registration of Private Schools Ordinance, 1962 (B.P. Ord xx of 1962)-এর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বিদ্যমান প্রাথমিক বৃত্তি নীতিমালা সহজীকরণ এবং সমকালীন প্রয়োজনের নিরিখে জাতীয়ভাবে অনুসরণযোগ্য নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। অাশা করা যায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা সম্পর্কে প্রণীত এ নতুন নীতিমালা সময়ের দাবি মেটাতে সক্ষম হবে। পরিশষে প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন কমিটির আহ্ববায়ক ও অন্যান্য সদস্যসহ যাঁরা এ নীতিমালা প্রণয়নে সত্রিুয় ভূমিকা রেখেছেন তাঁদের অসংখ্য ধন্যবাদ ও আমতরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। | তারিখ: ২৭ জুলাই ২০০৮ | মো| নজরতল ইসলাম খান মহাপরিচালক প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর | সূচিপত্র পৃষ্ঠা নম্বর ১. পরিচিতি ১ ২. প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষা পরিচালনা কমিটি ১ ৩. প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের নিয়মাবলি ২ ৪. পরীক্ষার বিষয় ও পাঠ্যসূচি ৪ ৫. প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার কোটা ৪ ৬. প্রাথমিক বৃত্তি প্রদানের নিয়মাবলি ৪ ৭. বৃত্তি পরীক্ষার ফি ৫ ৮. বৃত্তিপরীক্ষার ফি- এর অর্থ ব্যয়ের খাত ৫ ৯. কেন্দ্র ফি- এর অর্থ ব্যয়ের খাত ৫ ১০. অডিট ৫ ১১. প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষা পরিচালনা ৫ ১২. প্রশণপত্র প্রণয়ন ও মুদ্রণ ৬ ১৩. পরীক্ষার কেন্দ্র ৭ ১৪. উত্তরপত্র প্রসতুতকরণ ৭ ১৫. প্রবেশপত্র তৈরি ও বিতরণ ৭ ১৬. ইনভিজিলেটর নিয়োগ ৭ ১৭. ইনভিজিলেটরের দায়িত্ব ও কর্তব্য ৭ ১৮. প্রশণপত্র গ্রহণ ও বিতরণ ৮ ১৯. পরীক্ষার্থীদের জন্য পালনীয় নিয়মাবলি ৮ ২০. পরীক্ষা চলাকালীন শৃঙ্খলা সম্পর্কিত নিয়মাবলি ৮ ২১. শৃঙ্খলা লংঘনকারীর বিরতদ্ধে গৃহীত শাসিতমূলক ব্যবসহা ৯ ২২. পরীক্ষাসংত্রুামত কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের শৃঙ্খলা সম্পর্কিত নিয়মাবলি ৯ ২৩. পরীক্ষার পর কেন্দ্র থেকে উত্তরপত্র প্রেরণ ৯ ২৪. বিষয় কোড ৯ ২৫. উত্তরপত্র কোডিং ও উত্তরপত্র মূল্যায়ন ৯ ২৬. পরীক্ষক নিয়োগ ৯ ২৭. পরীক্ষকের দায়িত্ব ও কর্তব্য ১০ ২৮. প্রধান পরীক্ষক নিয়াগ ১০ ২৯. প্রধান পরীক্ষকের দায়িত্ব ও কর্তব্য ১০ ৩০. নিরীক্ষক নিয়াগ ১০ ৩১. নিরীক্ষকের দায়িত্ব ও কর্তব্য ১০ ৩২. বৃত্তিপরীক্ষারফলাফল তৈরি ১১ ৩৪. বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন ও নিরীক্ষণ ১১ ৩৫. উত্তরপত্র সংরক্ষণ সম্পর্কিত জ্ঞাতব্য ১১ ৩৬. প্রাথমিক বৃত্তি সংত্রুামত কার্যত্রুম ও ফলাফল প্রকাশর কার্যকাল ১১ ৩৭. অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকসহ সহকারী শিক্ষকদের বিরতদ্ধে গৃহীত ব্যবসহা ১২ ৩৮. ফলাফল সম্পর্কিত অভিযোগ/মামলা ১২ ৩৯. শ্রততিলেখক নিয়াগ ১২ ১. পরিচিতি এ নীতিমালা "প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা' বলে অভিহিত হবে। নীতিমালার অালোকে প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষা সংত্রুামত যাবতীয় কার্যত্রুম পরিচালিত হবে। এ নীতিমালা অনুযায়ী প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মমএণালয়-এর অনুমতিত্রুমে প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষা পরিচালনার জন্য একটি ""জাতীয় কমিটি'' গঠিত হবে। 2. প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষা পরিচালনা কমিটি ২.১ জাতীয় কমিটি প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষা জাতীয়ভাবে পরিচালনার জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মমএণালয় কর্তৃক পুনর্গঠিত "প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষা পরিচালনা কমিটি' নিমণরদপ হবে: ১। মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর - সভাপতি ২। মহাপরিচালক, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমী (নেপ), ময়মনসিংহ - সদস্য ৩। পরিচালক (প্রশাসন), প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর - সদস্য ৪। পরিচালক (প্রশিক্ষণ), প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর - সদস্য ৫। পরিচালক (পলিসি এন্ড অপারেশন), প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর - সদস্য ৬। উপসচিব (বিদ্যালয়), প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মমএণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা - সদস্য ৭। উপসচিব (ব্যয় নিয়মএণ-১), অর্থ মমএণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা - সদস্য ৮। উপপরিচালক (পাঠ্যত্রুম ও গবেষণা), প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর - সদস্য ৯-১৪। বিভাগীয় উপপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা, ঢাকা/চট্রগ্রাম/রাজশাহী/খুলনা/বরিশাল/সিলেট বিভাগ - সদস্য ১৫। সিস্টেম এ্যানালিস্ট, (এমআইএস সেল), প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর - সদস্য ১৬। সহকারী পরিচালক (অর্থ ও রাজস্ব), প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, - সদস্য ১৭। সহকারী পরিচালক (পাঠ্যএুম ও গবেষণা), প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর - সদস্যসচিব ২.২ জাতীয় কমিটির ক্ষমতা ও কার্যাবলি ১। পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণ; ২। ফি নির্ধারণ; ৩। প্রশণপত্র প্রণয়ন ও বিতরণ; ৪। বিভিন্নপর্যায়ে প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষা পরিচালনা কমিটি গঠন; ৫। পরীক্ষা গ্রহণসংত্রুামত নির্দেশাবলি প্রদান ও পরীক্ষাসংত্রুামত জরতরি কোনো সিদ্ধামত গ্রহণ; ৬। বৃত্তিপরীক্ষা পরিচালনা সংএুামত বাজেট অনুমোদন ও যথাসময়ে অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিতকরণ; ৭। যথাসময়ে সঠিকভাবে প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষা পরিচালনার ব্যবসহা করা এবং ৮। ফলাফল অনুমোদন ও প্রকাশের ব্যবসহাগ্রহণ। ২.৩ জাতীয় কমিটির সভাপতির দায়িত্ব ও কর্তব্য সরকারিভাবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষা ও এ সংত্রুামত সকল কর্মকান্ড পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মমএণালয়কর্তৃক গঠিত একটি জাতীয় কমিটি প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষা পরিচালনার সর্বোচ্চ সংসহা। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জাতীয় কমিটিকে সকল প্রকার সহযোগিতা প্রদান করবে। মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পদাধিকার বলে প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষা পরিচালনা জাতীয় কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি পরীক্ষা পরিচালনার জন্য সভা অাহবান, পরীক্ষাসংত্রুামত নিয়ম-কানুন, উদ্ভূত পরিসিহতি ইত্যাদি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় সিদ্ধামত গ্রহণ করবেন। তিনি প্রচলিত বিধি বিধানের আলোকে সকল প্রশাসনিক ও অার্থিক বিষয়ে সিদ্ধামত প্রদান/গ্রহণ করবেন। ২.৪ জাতীয় কমিটির সদস্যসচিবের দায়িত্ব ও কর্তব্য জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব নিমেণাত্তু দায়িত্ব পালন করবেন: ক. জাতীয় কমিটির সভাপতির সঙ্গে অালোচনাত্রুমে সভা অাহবান; খ. যথাসময়ে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন; গ. পরীক্ষাসংত্রুামত গৃহীত সিদ্ধামতসমূহ সভায় অনুমোদনের জন্য উপসহাপন; ঘ. পরীক্ষা পরিচালনার নিয়মাবলি ~~তরি ও সংশ্লিষ্টদের অবহিতকরণ; ঙ. জাতীয় কমিটির নির্দেশত্রুমে প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষার ফলাফল প্রকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান; Q. জাতীয় কমিটির সভাপতি কর্তৃক প্রদত্ত পরীক্ষাসংত্রুামত অন্য যে কোনো দায়িত্বপালন। 2.5 পরীক্ষা পরিচালনা কমিটি (উপজলা): | ১। উপজেলা নির্বাহী অফিসার | সভাপতি | | ২। যে বিদ্যালয়ে বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র সহাপিত হবে সেই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক/শিক্ষিকা | সদস্য | | ৩। উপজেলা স্বাসহ্য কমপ্লেক্স এর মেডিক্যাল অফিসার | সদস্য | | ৪। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) | সদস্য | | ৫। একজন শিক্ষাবিদ (উপজেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক মনোনীত) | সদস্য | | ৬। উপজলা শিক্ষা অফিসার | সদস্যসচিব | ২.৬ পরীক্ষা পরিচালনা কমিটি (মহানগর): | ১। জলা প্রশাসক | সভাপতি | | ২। সংশ্লিষ্ট এলাকার ওয়ার্ড কমিশনার/ কাউন্সিলর | সদস্য | | ৩। সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার | সদস্য | | ৪। সংশ্লিষ্ট থানার সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার ১ (এক) জন (ডিপিইও কর্তৃক মনোনীত) | সদস্য | | ৫। যে বিদ্যালয়ে বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র সহাপিত হবে সেই বিদ্যালয়ের ব্যবসহাপনা কমিটির সভাপতি | সদস্য | | ৬। যে বিদ্যালয়ে বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র সহাপিত হবে সেই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক/শিক্ষিকা | সদস্য | | ৭। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার | সদস্য সচিব | ২.৭ সংশ্লিষ্ট অন্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য: ক. প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ৬টি বিভাগীয় দপ্তর পরীক্ষা পরিচালনা, সমন্বয়সাধন এবং ফলাফল প্রকাশ করবে। এ জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে প্রশণপত্র প্রণয়ন, মুদ্রণ ও পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রেরণ এবং ফলাফল প্রত্রিুয়াকরণ করা হবে। বিভাগীয় দপ্তর উত্তরপত্র মূল্যায়নামেত নম্বরফর্দ সীলাগালাকৃত খামে বিশেষ বাহক মারফত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এম.অাই.এস সেলে প্রেরণ নিশ্চিত করবে; M. জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নিজ জেলার বিভিন্ন থানা/উপজেলার মধ্যে সমন্বয় সাধন করবেন; গ. বিভিন্ন থানা/উপজেলা বা পৌর ওয়ার্ডে নির্ধারিত পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য থানা/ উপজেলা প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষা পরিচালনা কমিটি পরীক্ষানুষ্ঠানের জন্য উত্তরপত্র প্রসতুত, পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রবেশপত্র বিতরণ, পরীক্ষানুষ্ঠান ও পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন ইত্যাদি দায়িত্বপালন করবে; ২.৮ বিভাগীয় দপ্তরসমূহ জাতীয় কমিটির অনুমোদনত্রুমে অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ফলাফল প্রকাশ করবে; ২.৯ প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষার ফলাফল প্রত্রিুয়াকরণের যাবতীয় কাজ কম্পিউটারের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। ৩. প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের নিয়মাবলি: 3.1 দেশে নিমেণবর্ণিত বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ৫ম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের ন্যূনতম শতকরা ৪০(চল্লিশ) জন বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে (জাতীয় কমিটি সময়ে সময়ে এ সংখ্যা পুনঃনির্ধারণ করতে পারবে): L) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় M) পিটিআই সংলগ্ণ পরীক্ষণ বিদ্যালয় N) সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ল প্রাথমিক বিদ্যালয় O) বেসরকারি নিমণ মাধ্যমিক/মাধ্যমিক বিদ্যালয়সংলগ্ল একাডেমিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত/অনুমোদিত প্রাথমিক বিদ্যালয় P) রেজিস্টার্ড কিন্ডারগার্টেন Q) কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় R) রেজিস্টার্ড/অসহায়ী রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত / সহাপন ও চালুর প্রাথমিক অনুমতিপ্রাপ্ত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় 3.2 অানরেজিস্টার্ড কিন্ডারগার্টেন, নিবন্ধিত নয় এমন বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ/নিমণমাধ্যমিক সংলগ্ণ নিবন্ধিত নয় এমন প্রাথমিক বিদ্যালয়, স্বায়ত্তশাসিত/বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকর্তৃক পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ৫ম শ্রেণীর ন্যূনতম শতকরা ৪০(চল্লিশ) জন ছাত্রছাত্রী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। তবে এসমসত প্রাথমিক বিদ্যালয় নিমেণাত্তু শর্তাদি পূরণ সাপেক্ষে সাময়িকভাবে অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সহায়ীভাবে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে: 3.2.1 প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় প্রধানকে প্রতিবছর ১৫ মার্চ-এর মধ্যে উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় উপপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা-এর নিকট অাবেদন করতে হবে; 3.2.2 বিদ্যালয়ের শ্রেণীকার্যত্রুম পরিচালনার জন্য কমপক্ষে ১০৫০ বর্গফুট ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট ভবন এবং স্বাসহ্যসম্মত পরিবেশ থাকতে হবে; 3.2.3 সরকারকর্তৃক নির্ধারিত প্রত্রিুয়া অনুসরণপূর্বক নিয়োজিত নির্ধারিত যোগ্যতাসম্পন্ন ন্যূনতম ২ (দুই) জন শিক্ষিকাসহ ৪ (চার) জন শিক্ষক থাকতে হবে; 3.2.4 বিদ্যালয় পরিচালনার জন্য সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি থাকতে হবে; 3.2.5 জাতীয় শিক্ষাত্রুম ও পাঠ্যপুসতক বোর্ডকর্তৃক নির্ধারিত শিক্ষাত্রুম (curriculum) অনুসরণ করতে হবে; 3.2.6 সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে বিগত ৩ (তিন) বছর ১ম শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যমত পাঠদান কার্যত্রুম চালু থাকতে হবে; 3.2.7 সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে ন্যূনতম ১৫০ (একশত পঞ্চাশ) জন ছাত্রছাত্রী অধ্যয়নরত থাকতে হবে। তবে হাওড়-বাওড় ও পার্বত্য ৩ জেলার ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১০০ (একশত) জন ছাত্রছাত্রীসম্বলিত বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরাও প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে পারবে; 3.2.8 অসহায়ী রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত/সহাপন ও চালুর প্রাথমিক অনুমতিপ্রাপ্ত নয় এরদপ বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করলে সে সব বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা পরপর ৩ (তিন) বার অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। চতুর্থবার অংশগ্রহণের পূর্বে এসমসত বিদ্যালয়কে সংশ্লিষ্ট বিধিমালা/নীতিমালা অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন/সহাপন ও চালুর প্রাথমিক অনুমতি গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন/সহাপন ও চালুর প্রাথমিক অনুমতি গ্রহণে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা কোনত্রুমেই পরবর্তীতে বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না (উল্লেখ্য যে, কিন্ডারগার্টেন, বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহকে রেজিস্ট্রেশন/প্রাথমিক অনুমতি প্রাপ্তির জন্য নির্ধারিত ছকে কর্তৃপক্ষ হিসেবে বিভাগীয় উপপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা বরাবর অাবেদন করতে হবে)। ৩.৩ কোন ছাত্রছাত্রী একবার প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার জন্য ডিআরভুত্তু হয়ে থাকলে তাকে দ্বিতীয়বার আর ডিআরভুত্তু করা যাবে না। ৩.৪ কোনো বিদ্যালয়ে ৩১ মার্চের পরে যদি কোনো ছাত্রছাত্রী অন্য কোনো বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র গ্রহণের মাধ্যমে ৫ম শ্রেণীতে ভর্তি হয়ে থাকে তবে তাকে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেয়া যাবে না। তবে কোনো সরকারি/অাধাসরকারি অফিসের কর্মকর্তা/কর্মচারী বদলি হয়ে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় এলাকায় এলে এবং প্রচলিত নিয়মানুযায়ী উত্তু পরীক্ষার্থী ৫ম শ্রেণীতে ভর্তি হয়ে থাকলে তাকে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে অনুমতি দেয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে ডিঅার প্রসওতের পূর্বে শিক্ষার্থীকে তার পূর্বতন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত ছাড়পত্র ও অভিভাবকের বদলি সংএুামত আদেশের কপিসহ অাবেদন করতে হবে। বহিরাগত ছাত্রছাত্রীর পরীক্ষার বিষয়ে কোন প্রকার অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরতদ্ধে বিভাগীয় ব্যবসহা গ্রহণ করা হবে। উল্লেখ্য যে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ছাত্রছাত্রীর প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল বাতিল করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতা বর্হিভূত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরতদ্ধে ব্যবসহা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ করা হবে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হবে না । ৪. পরীক্ষার বিষয় ও পাঠ্যসূচি: ৪.১ মোট ৪(চার)টি বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে । সেগুলো : L. বাংলা, M. ইংরেজি, N. গণিত ও O. পরিবেশ পরিচিতি (সমাজ ও বিজ্ঞান) ৪.২ প্রতিটি বিষয়ে মোট নম্বর হবে ১০০ । ৪.৩ প্রাথমিক শিক্ষা কারিকুলামের অমতর্ভুত্তু পঞ্চম শ্রেণীর পাঠ্যসূচি ও পাঠ্যপুসতক অনুসারে প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে । ৪.৪ বৃত্তি প্রাপ্তির ন্যূনতম যোগ্যতা: যে কোনো ধরনের বৃত্তির জন্য ছাত্রছাত্রীদের অবশ্যই প্রতিটি বিষয়ে অালাদাভাবে পাশ করতে হবে। প্রতি বিষয়ে পাশ নম্বরের হার শতকরা ৩৩। সর্বোচ্চ নম্বরের ভিত্তিতে ছাত্রছাত্রীদের কোটাভিত্তিক বৃত্তি প্রদান করা হবে। ৫. প্রাথমিক বৃত্তির প্রকার ও কোটা : ৫.১ প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় দুই ধরনের বৃত্তি প্রদান করা হবে । L. ট্যালেন্টপুল ও M. সাধারণ বৃত্তি ৫.২ সব ধরনের বৃত্তির ৫০ শতাংশ ছাত্রদের এবং ৫০ শতাংশ ছাত্রীদের জন্য নির্ধারিত থাকবে। তবে নির্ধারিত কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে ছাত্রের বৃত্তি ছাত্রী দ্বারা এবং ছাত্রীর বৃত্তি ছাত্র দ্বারা পূরণ করা হবে। ৬. প্রাথমিক বৃত্তি প্রদানের নিয়মাবলি : ৬.১ ট্যালেন্টপুল বৃত্তি : ট্যালেন্টপুল বৃত্তি দেয়া হবে থানা/উপজেলা ওয়ারি। প্রতিটি থানায়/উপজেলায় পূর্বনির্ধারিত সংখ্যক ট্যালেন্টপুল বৃত্তি থানার/উপজেলার সর্বোচ্চ নম্বরধারী ছাত্র ও ছাত্রীদের মেধার ত্রুমানুসারে সমান হারে ফলাফল প্রকাশ করা হবে। বিজোড় সংখ্যা ট্যালেন্টপুল বৃত্তি প্রদানের ক্ষেত্রে সর্বশেষটি ছাত্র বা ছাত্রী বিবেচনা না করে অধিক নম্বর বিবেচনায় নির্বাচন করা হবে। ৬.২ ট্যালেন্টপুল সম্পূরক বৃত্তি : কোন থানা/উপজেলায় ট্যালেন্টপুল কোটায় প্রার্থী পাওয়া না গেলে তা জেলা কোটা অর্থাৎ একই জেলার মেধার এুমানুসারে পরবর্তী যোগ্য প্রার্থী দ্বারা পূরণ করা হবে এবং তা সম্পূরক তালিকায় প্রকাশিত হবে। ট্যালেন্টপুল সম্পূরক বৃত্তির জন্য সম নম্বরের ক্ষেত্রে ৬.৫ অনুচ্ছেদে বর্ণিত নিয়ম অনুসরণ করা হবে। ৬.৩ সাধারণ বৃত্তি: সাধারণ বৃত্তি প্রদানের ইউনিট হলো থানা/উপজেলাসমূহের ইউনিয়ন এবং পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড অর্থাৎ পৌর ওয়ার্ড/ইউনিয়ন ভিত্তিক সাধারণ বৃত্তি দেওয়া হবে। প্রতিটি পৌর ওয়ার্ড/ইউনিয়নে দুইজন ছাত্র ও দুইজন ছাত্রীকে বা নির্ধারিত কোটায় সাধারণ বৃত্তি প্রদান করা হবে, যা ঐ পৌর ওয়ার্ড/ইউনিয়নের যোগ্যতম প্রার্থীকে দেওয়া হবে। কোন পৌর ওয়ার্ড/ইউনিয়নে যোগ্য ছাত্র না পাওয়া গেলে ঐ ছাত্রের বৃত্তি ছাত্রী দ্বারা এবং যোগ্য ছাত্রী পাওয়া না গেলে ঐ বৃত্তি যোগ্য ছাত্র দ্বারা পূরণ করা হবে । এভাবে যদি কোন পৌর ওয়ার্ড/ইউনিয়নের বৃত্তি ঐ ইউনিয়নের ছাত্র বা ছাত্রী দ্বারা পূরণ করা হয় তা হলে সেটিকে সাধারণ বৃত্তি হিসেবেই বিবেচনা করা হবে এবং ঐ তালিকা মূল তালিকায় প্রকাশিত হবে (সম্পূরক তালিকায় প্রকাশিত হবে না) । সমন্বয়ের ক্ষেত্রে ৬.৫ অনুচ্ছেদে বর্ণিত নিয়ম অনুসরণ করা হবে। ৬.৪ সস্পূরক সাধারণ বৃত্তি: যদি কোন ইউনিয়নে/পৌর ওয়ার্ডে যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া যায় তাহলে তা থানা/উপজেলা কোটায় পুঞ্জীভূত হবে ও থানা/উপজেলার যোগ্য প্রার্থী দ্বারা অর্থাৎ অপেক্ষাকৃত বেশি নম্বরপ্রাপ্ত প্রার্থী দ্বারা পূরণ করা হবে এবং তা সম্পূরক তালিকায় অালাদাভাবে প্রকাশিত হবে। যদি ঐ থানা/উপজেলাতেও যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া যায় তবে ঐ বৃত্তি জেলার যোগ্য প্রার্থী দ্বারা একই পদ্ধতিতে পূরণ করা হবে এবং তা সম্পূরক তালিকায় প্রকাশিত হবে । সমন্বয়ের ক্ষেত্রে ৬.৫ অনুচ্ছেদে বর্ণিত নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। ৬.৫ সমনম্বরধারীর ক্ষেত্রে: একাধিক প্রার্থীর প্রাপ্ত সর্বমোট নম্বর একই হলে যথাত্রুমে প্রথমে বাংলা, গণিত ও ইংরেজিতে বেশি নম্বরপ্রাপ্ত প্রার্থীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। যদি দুই বা ততোধিক প্রার্থীর সকল বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর একই হয় এবং একজনকে নির্বাচন করতে হয় সেক্ষেত্রে আগের রোল নম্বরধারীকে বৃত্তি দেওয়া হবে । ৭. বৃত্তি পরীক্ষার ফি: জাতীয় কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত হারে প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর নিকট থেকে পরীক্ষার ফি অাদায় করা হবে। পরীক্ষা কমিটির পক্ষে থানা/উপজেলা শিক্ষা অফিসার এ পরীক্ষার ফি অাদায় করবেন। এক্ষেত্রে পরীক্ষার ফি বাবদ অাদায়কৃত ৫০% অর্থ মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর-এর নামে ব্যাংক ড্রাফট করে পাঠাতে হবে এবং অবশিষ্ট ৫০% অর্থ কেন্দ্র ফি বাবদ বিধি মোতাবেক ব্যয়ের নিমিত্তে থানা/উপজেলায় সংরক্ষণ করতে হবে। ৮. বৃত্তি পরীক্ষার ফি-এর অর্থ ব্যয়ের খাত: জাতীয় কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত বাজেট বরাদ্দ অনুযায়ী সকল খরচাদি সম্পন্ন হবে । সকল প্রকার খরচের হিসাব ও ভাউচারসমূহ/খরচাদি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে সংরক্ষিত থাকবে । বৃত্তিপরীক্ষার অর্থ নিমেণাওু খাতে ব্যয় করা যাবে: ৮.১ বৃত্তিপরীক্ষা সংত্রুামত কাজে নিযুত্তু ব্যত্তিু/ব্যত্তিুবর্গের সম্মানী/পারিশ্রমিক বাবদ; ৮.২ বৃত্তিপরীক্ষা পরিচালনা এবং ফলাফল প্রকাশের খরচ মেটানো বাবদ; ৮.৩ প্রশণপত্র প্রণয়ন, সংশোধন, প্রশণপত্র ছাপা ও কাগজ ত্রুয় ইত্যাদি বাবদ; ৮.৪ অানুষঙ্গিক (সাপোর্ট সার্ভিস, ডাক খরচ, পরিবহণ ও অন্যান্য) ব্যয় বাবদ ৯. কেন্দ্র ফি-এর অর্থ ব্যয়ের খাত: কেন্দ্র ফি-এর টাকা উপজেলা প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষা কমিটি কর্তৃক বাজেট অনুমোদনত্রুমে ব্যয় করতে হবে। এক্ষেত্রে খরচের ভাউচারসমূহ অডিটের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসে সংরক্ষণ করতে হবে। ৯.১ পরীক্ষাসংত্রুামত কাজে সম্পৃত্তু ব্যত্তিু/ব্যত্তিুবর্গের সম্মানী/পারিশ্রমিক; ৯.২ উত্তরপত্র প্রসতুত, মুদ্রণ ও সংগ্রহ; 9.3 অানুষঙ্গিক ও অন্যান্য (সাপোর্ট সার্ভিস, ডাক খরচ, পরিবহণ ও অন্যান্য)। ১০. অডিট: প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফি বাবদ অাদায়কৃত অর্থ ব্যয়ের যাবতীয় হিসাব জাতীয় কমিটির সভাপতি সরকারি/অভ্যমতরীণ অডিট পার্টি দ্বারা অডিট করাবেন এবং অডিটপার্টি কর্তৃক দাখিলকৃত প্রতিবেদন যথারীতি সংরক্ষণ করবেন । অডিটে কোন ত্রতটি বা অনিয়ম চিহিুত হলে পরবর্তী জাতীয় কমিটির সভায় উথুাপনপূর্বক এ বিষয়ে সিদ্ধামত গ্রহণ করতে হবে। থানা/উপজেলা পর্যায়ে কেন্দ্র ফি বাবদ অাদায়কৃত অর্থ ব্যয়ের যাবতীয় হিসাব অনুরদপভাবে অডিট করাতে হবে। ১১. প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষা পরিচালনা : ১১.১ বিভিন্ন প্রকার কোড: কম্পিউটারাইজড পদ্ধতিতে বৃত্তি বণ্টন করা হয় কোড ভিত্তিতে। এজন্য বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন কোড রয়েছে । সেগুলো: L. বিভাগ কোড, M. জেলা কোড, N. থানা/উপজেলা কোড, O. ইউনিয়ন/পৌর ওয়ার্ড কোড ও P. বিদ্যালয় কোড। প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্র্রহণকারী প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের এই ০৫টি কোড মিলে তাদের ইউনিট বা একক কোড, যার মাধ্যমে কম্পিউটার প্রোগ্রাম বৃত্তি বণ্টন করতে সক্ষম। বিভাগ, জেলা ও থানা/উপজেলা কোড মোটামুটিভাবে প্রতিবছর একই থাকবে। যেহেতু প্রতিবছর কোন না কোন নতুন পৌরসভার সৃষ্টি/বিলুপ্তি ঘটে এবং কোন না কোন ইউনিয়ন এক থানা/উপজেলা থেকে অন্য থানা/উপজেলায় সহানামতরিত হয়, কাজেই কোড তালিকায় "ঘ' ও "ঙ' কোড ইউনিয়ন/পৌর ওয়ার্ড কোড ও বিদ্যালয় কোড প্রতিবছরই নতুন করে প্রণয়ন করতে হবে । এখানে উল্লেখ্য যে, যেহেতু ইউনিয়ন/পৌর ওয়ার্ডের সংখ্যার ওপর কোন বিভাগের মোট সাধারণ বৃত্তির সংখ্যা নির্ভর করে সেহেতু পূর্বনির্ধারিত একটি সময়সীমার মধ্যে ঐ বছরের বৃত্তির জন্য ইউনিয়ন/পৌর ওয়ার্ডের তালিকা চূড়ামত করার প্রয়োজন রয়েছে। ঐ নির্ধারিত তারিখের পরে কোন পৌরসভা বা ইউনিয়নকে ঐ বছরের তালিকায় সংযোজন করা সম্ভব হবে না। কাজেই চূড়ামতভাবে গৃহীত ইউনিয়ন/পৌরওয়ার্ড তালিকা সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। ইউনিয়নের তালিকা চূড়ামত হলে ঐ ইউনিয়নের বিদ্যালয়গুলোকে সহজে কোডভুত্তু করা যাবে । ১১.২ বৃত্তি তালিকায় নতুন ইউনিয়ন/ওয়ার্ডের অমতর্ভুত্তিু/ইউনিয়ন সহানামতর প্রতিবছর একটি পূর্বনির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে চূড়ামতকরণের জন্য থানা/উপজেলা শিক্ষা অফিসার সংশ্লিষ্ট এলাকার ইউনিয়ন/পৌরওয়ার্ডের খসড়া তালিকা বিভাগীয় দপ্তরসমূহে পাঠাবেন। বিভাগীয় দপ্তর তাদের সংশোধন/প্রসতাব অধিদপ্তরে চূড়ামতকরণের জন্য প্রসতাব পাঠাবেন। ইউনিয়ন/ওয়ার্ডের তালিকা চূড়ামত করার জন্য অধিদপ্তর উত্তু তালিকা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের ব্যবসহা গ্রহণ করবেন। এরপর অধিদপ্তর চূড়ামত ইউনিয়ন/ওয়ার্ডের তালিকা এবং ডিঅার এর উপর সংযোজনযোগ্য থানা/উপজেলার সারাংশের ছক বিভাগীয় দপ্তরে প্রেরণ করবেন। বিভাগীয় দপ্তর থানা/উপজেলাওয়ারি ইউনিয়ন/ওয়ার্ডের তালিকা এবং ডিঅার এর উপর সংযোজনযোগ্য তথ্যাদি থানা/উপজেলায় প্রেরণ করবেন । ১১.৩ ডিঅার প্রণয়ন ও প্রেরণ ক. প্রতিটি থানা/উপজেলার পরীক্ষার্থীদের ডিঅার থানা/উপজেলা শিক্ষা অফিসার/সহকারী থানা/উপজেলা শিক্ষা অফিসার পূরণ করবেন। এজন্য থানা/উপজেলা শিক্ষা অফিসার/সহকারী থানা/উপজেলা শিক্ষা অফিসারগণ নির্ভুলভাবে পরীক্ষার্থীদের এক কপি ডেসত্রিুপটিভ রোল ফরম পূরণ করবেন। অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের থানা/উপজেলাভিত্তিক রোল নম্বর প্রদান করা হবে এবং ছাত্রীদের অালাদাভাবে বোঝানোর জন্য তাদের রোল নম্বরের অাগে ‘ম’ লিখতে হবে। এছাড়া থানা/উপজেলা শিক্ষা অফিসার/সহকারী থানা/উপজেলা শিক্ষা অফিসারগণ ডিঅার-এর উপর সংযোজনযোগ্য থানা/উপজেলার সারাংশের ছক যথাযথভাবে পূরণ করবেন । গ. জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারগণ থানা/উপজেলা থেকে প্রাপ্ত ডিঅার ফরম এবং পরীক্ষার্থীদের নিকট থেকে পরীক্ষা ফি বাবদ গৃহীত অর্থ ব্যাংক ড্রাফট করে প্রতিবছর ১৫ জুলাই/নির্দেশিত তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় উপপরিচালকের কাছে অাবশ্যিকভাবে প্রেরণ করবেন । ঘ. বিভাগীয় উপপরিচালকগণ প্রাপ্ত ডিঅার ফরমের তথ্যাবলি কম্পিউটারে সন্নিবেশিত করার জন্য প্রতিবছর ৩১ জুলাই/ নির্দেশিত সময়ের মধ্যে কম্পিউটার কেন্দ্রে প্রেরণ করবেন । এছাড়া উত্তু সময়ের মধ্যে ব্যাংক ড্রাফটসমূহ অধিদপ্তরে পৌঁছানো নিশ্চিত করবেন । ১১.৪ ডিঅার যাচাই ক. কম্পিউটারে ডিঅার-এর তথ্য সন্নিবেশিত হওয়ার পর তা বিভাগীয় দপ্তর যাচাইয়ের ব্যবসহা গ্রহণ করবে। ডিঅার যাচাই সম্পন্ন হওয়ার পর বিভিন্ন কার্যালয়ের জন্য ডিঅার-এর মোট ৪ (চার)টি মুদ্রিত কপি তৈরি করা হবে। বিভাগীয় উপরিচালকের অনুমোদনের পর-এর এককপি কম্পিউটার কেন্দ্রে থাকবে এবং ৩ (তিন) কপি যথাত্রুমে বিভাগীয়, জেলা ও থানা/উপজেলা কার্যালয়ে সংরক্ষণের জন্য রাখা হবে। খ. ডিঅার যাচাই সম্পন্ন হওয়ার পর কম্পিউটারের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রবেশপত্র ও পরীক্ষার্থীদের উপসিহতি পত্র তৈরি করা হবে এবং বিভাগীয় দপ্তর সেগুলো সংশ্লিষ্ট থানা/উপজেলায় প্রেরণ করবেন। ১২. প্রশণপত্র প্রণয়ন ও মুদ্রণ: কেন্দ্রীয়ভাবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রশণপত্র প্রণয়ন ও মুদ্রণের প্রয়োজনীয় ব্যবসহা গ্রহণ করবেন। ১৩. পরীক্ষা কেন্দ্র : ১৩.১ ক) পরীক্ষা কেন্দ্র নির্বাচন: প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষা কেন্দ্র প্রতি থানা/উপজেলা সদরে সহাপন করতে হবে। প্রতিটি থানা/উপজেলায় একটি মাত্র কেন্দ্র থাকবে। তবে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হলে সহানীয় পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির প্রসতাবের যথার্থতা যাচাই করে বিভাগীয় উপরিচালকগণ এক বা একাধিক পরীক্ষা গ্রহণের সহান/ভেন্যু মূল কেন্দ্রের নিকটবর্তী কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপযুত্তু সহানে সহাপন করার ব্যবসহা নেবেন। সহানীয়ভাবে গঠিত পরীক্ষা পরিচালনা কমিটি যথাসময়ে সভা অাহবানপূর্বক পরীক্ষা গ্রহণের সকল অায়োজন সম্পন্ন করবেন । ১৩.১. খ) পরীক্ষা পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনরদপ ঔদাসীন্য, কর্তব্যে অবহেলা, দায়িত্বহীনতার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ ব্যত্তিুগতভাবে দায়ী থাকবেন । 13.2 হল সুপারিনটেনডেন্ট/সহকারী হল সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগ প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রের জন্য একজন হল সুপারিনটেনডেন্ট এবং একজন সহকারী হল সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট থানা/উপজেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার-এর সঙ্গে পরামর্শত্রুমে তাদের নাম প্রসতাব করলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিভাগীয় উপপরিচালকের পক্ষে এ নিয়োগ দেবেন। ১৩.৩ অাসন ব্যবসহাপনা পরীক্ষার হলের মাঝখানে চলাচলের সহান রেখে দুপাশে বেঞ্চ সাজাতে হবে । প্রতিটি বেঞ্চে ২ (দুই) জন-এর বেশি পরীক্ষার্থীর অাসনের ব্যবসহা করা যাবে না । তবে ৬ ফিট বা তদূর্ধ্ব লম্বা বেঞ্চে ৩ জনের অাসনের ব্যবসহা করা যেতে পারে । ১৪. উত্তরপত্র প্রসতুতকরণ: ডিমাই সাইজের কাগজে কভার পৃষ্ঠাসহ কমপক্ষে ১২ পৃষ্ঠার উত্তরপত্র প্রসতুত করতে হবে। কভার পৃষ্ঠার অপর পৃষ্ঠায় কোণাকুণিভাবে সরল রেখা টেনে কেটে দিতে হবে এবং "এ পৃষ্ঠায় লেখা নিষেধ' এ লেখাটি বড় হরফে চারটি অংশে চারবার করে মুদ্রণ করতে হবে। উত্তরপত্রের সমমাপের ১ পাতার অতিরিত্তু উত্তরপত্র (লুজ শীট) প্রসতুত রাখতে হবে, যা মূল উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠার বামদিকে নিমণভাগে নির্দিষ্ট জায়গায় ১+১+১ এভাবে ইনভিজিলেটর তাৎক্ষণিকভাবে রেকর্ড করবেন এবং লুজ শীটের ডান কোণায় তারিখসহ অনুস্বাক্ষর করবেন। লুজ শীটে কোন সীল ব্যবহার করা যাবেনা এবং ছাত্রছাত্রীর নাম ও রোল নম্বর লেখা যাবে না। খাতা, প্রবেশপত্র, উপসিহতি পত্র এবং টপশীট-এর নমুনা কেন্দ্র থেকে সরবরাহ করা হবে। ১৫. প্রবেশপত্র তৈরি ও বিতরণ: প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা শুরত হওয়ার কমপক্ষে ৩ (তিন) দিন পূর্বে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবেশপত্র প্রদান করতে হবে। সংশ্লিষ্ট থানা/উপজেলা শিক্ষা অফিসার প্রবেশপত্র স্বাক্ষরের পর বিতরণের ব্যবসহা গ্রহণ করবেন। প্রবেশপত্রে পরীক্ষার্থীর নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, কেন্দ্র ও পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর, পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ ও সময় এবং থানা/উপজেলা শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষর থাকতে হবে । ১৬. ইনভিজিলেটর নিয়োগ : পরীক্ষা পরিচালনা কমিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয়, পিটিঅাই সংলগ্ণ পরীক্ষণ বিদ্যালয়ের শিক্ষক/শিক্ষিকাদের মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ইনভিজিলেটর নিয়োগ করবেন। প্রয়োজনে মাধ্যমিক ও নিমণমাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ইনভিজিলেটর নিয়োগ করা যাবে। প্রতি ২৫জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন ইনভিজিলেটর নিয়োগ করতে হবে। ১৭. ইনভিজিলেটর-এর দায়িত্ব ও কর্তব্য: ১৭.১ ইনভিজিলেটর কে পরীক্ষা শুরতর কমপক্ষে ৩০ মিনিট পূর্বে হল সুপার-এর নিকট রিপোর্ট করতে হবে । প্রশণপত্র খোলার ঘোষণাপত্র স্বাক্ষর করতে হবে । তিনি হল সুপার-এর নিকট থেকে উত্তরপত্র, প্রশণপত্র ও স্বাক্ষরলিপি গ্রহণ করে পরীক্ষা শুরতর কমপক্ষে ১৫ মিনিট পূর্বে তার দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্ধারিত হলে উপসিহত হবেন । ১৭.২ ইনভিজিলেটর পরীক্ষা হলে নিয়মানুযায়ী দায়িত্ব পালন করবেন এবং পরীক্ষা শেষে প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র সংগ্রহ করে রোল নম্বর অনুযায়ী সাজিয়ে হল সুপারের কাছে জমা দেবেন । তিনি লুজ শীট সঠিকভাবে সুতা দিয়ে বাঁধা বা স্ট্যাপলার মেশিন দিয়ে গাঁথা হয়েছে কিনা তা দেখে নেবেন । ১৭.৩ তিনি হাজিরাপত্রে অবশ্যই সকল পরীক্ষার্থীর স্বাক্ষর গ্রহণ করবেন। অনুপসিহত পরীক্ষার্থীদের লাল কালি দিয়ে চিহিুত করবেন। ১৮. প্রশণপত্র গ্রহণ ও বিতরণ: নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিজি প্রেস হতে সীলগালাযুত্তু প্রশণপত্র গ্রহণ করবেন এবং বিভিন্ন জেলা/রেঞ্জে বিতরণের জন্য সহকর্মীদের সহযোগিতায় ট্রাংকজাত করবেন। এজন্য প্রশণপত্র গ্রহণকারী কর্মকর্তার স্বাক্ষর সত্যায়িত করে তা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপপরিচালক (পাঠ্যত্রুম ও গবেষণা), প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর-এর নিকট প্রেরণ করতে হবে। এর একটি অনুলিপি প্রশণপত্র গ্রহণ করার সময় গ্রহণকারী কর্মকর্তা নিজের সঙ্গে রাখবেন। ১৯. পরীক্ষার্থীদের জন্য পালনীয় নিয়মাবলি: ১৯.১ পরীক্ষার্থীকে প্রবেশপত্রসহ নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষার হলে উপসিহত হতে হবে। প্রবেশপত্র ছাড়া কেউ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেনা; ১৯.২ পরীক্ষার হলে প্রবেশপত্র ছাড়া অন্য কোন অননুমোদিত কাগজপত্র বা বসতু সঙ্গে অানা যাবেনা; ১৯.৩ উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠার নির্ধারিত সহানে নাম, বিষয়, কেন্দ্র ও রোল নম্বর ছাড়া অন্যকোন কিছু লেখা যাবেনা; ১৯.৪ উত্তরপত্র ও অতিরিওু উত্তরপত্রে অবশ্যই ইনভিজিলেটর-এর স্বাক্ষর থাকতে হবে। অন্যথায় উত্তরপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে; ১৯.৫ উত্তরপত্রের ভিতরে বা বাইরে অপ্রয়োজনীয়/অাপত্তিকর কোন কিছু লেখা যাবেনা; ১৯.৬ খসড়ার জন্য কোন অতিরিত্তু কাগজ দেওয়া যাবেনা । প্রদত্ত উত্তরপত্রে খসড়ার কাজ করতে হবে এবং তা পরে যথাযথভাবে কেটে দিতে হবে; 19.7 অতিরিত্তু উত্তরপত্রের দরকার হলে পরীক্ষার্থী কেবল দাঁড়িয়ে কর্তব্যরত ইনভিজিলেট-এর দৃষ্টি অাকর্ষণ করবে; হলের মধ্যে কোনরদপ হৈচৈ বা চিৎকার করতে পারবে না; ১৯.৮ প্রদত্ত উত্তরপত্র ছাড়া প্রশণপত্রে, টেবিলে, রতলারে, নিজ দেহে বা অন্য কোথাও পরীক্ষার্থী কোন কিছু লিখতে পারবেনা; ১৯.৯ প্রশণপত্র বিতরণের পর এক ঘণ্টা অতিবাহিত না হওয়া পর্যমত কোন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা হলের বাইরে যেতে পারবেনা; ১৯.১০ পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর উত্তরপত্র কর্তব্যরত ইনভিজিলেটরের নিকট জমা দিয়ে পরীক্ষা হল ত্যাগ করতে হবে; ১৯.১১ এছাড়া কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্দেশিত নিয়মাবলি অনুসরণ করতে হবে। ২০. পরীক্ষাচলাকালীন শৃঙ্খলা সম্পর্কিত নিয়মাবলি: নিমেণাওু যে কোন এক বা একাধিক অপরাধ করলে পরীক্ষার্থী দোষী বিবেচিত হবে- ২০.১ পরীক্ষার হলে একে অন্যের সঙ্গে কথোপকথন করলে; ২০.২ প্রশণপত্র ও প্রবেশপত্র ব্যতীত অন্য কোন অননুমোদিত কাগজপত্র বা বসতু সঙ্গে রাখলে; ২০.৩ পরীক্ষার হলে প্রশণপত্র বা অন্য কোন মাধ্যমে কিছু লিখে অন্য পরীক্ষার্থীর সঙ্গে বিনিময় করলে; ২০.৪ প্রশণপত্র ছাড়া অন্য কোন কাগজপত্র বা অন্যের উত্তরপত্র দেখে লিখলে বা অন্যকে দেখানোর কাজে সহযোগিতা করলে; 20.5 উত্তরপত্র কক্ষ পরিদর্শকের নিকট দাখিল না করে উত্তরপত্রসহ পরীক্ষা হল ত্যাগ করলে; ২০.৬ কেন্দ্র কর্তৃক সরবরাহকৃত উত্তরপত্রের পৃষ্ঠা পরিবর্তন করলে বা বিনষ্ট করলে; ২০.৭ পরীক্ষার্থী কর্তৃক পরীক্ষা ভবনের বাইরে থেকে লিখে অতিরিত্তু উত্তরপত্র দাখিল করলে; ২০.৮ উত্তরপত্রে অাপত্তিকর কিছু লিখলে; ২০.৯ মোবাইল ফোন বা এ জাতীয় কোন ডিভাইস ব্যবহার করলে । ২১. শৃঙ্খলা লঙ্ঘনকারীর বিরতদ্ধে গৃহীত শাসিতমূলক ব্যবসহা : ২১.১ অনুচ্ছেদ ২০-এ উল্লিখিত যে কোন কাজের জন্য ঐ বিষয়ের পরীক্ষা বাতিল হবে; ২১.২ প্রশণপত্র ছাড়া অন্য কাগজপত্র বা অন্যের উত্তরপত্র দেখে লিখলে বা অন্যকে দেখানোর কাজে সহযোগিতা করলে তাকে সেই বিষয়সহ অন্যান্য বিষয়ের পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হবে অথবা তার পরীক্ষা বাতিল করা হবে। ২২. পরীক্ষাসংত্রুামত কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শৃঙ্খলা সম্পর্কিত নিয়মাবলি: হল সুপার, সহকারি হল সুপার, কক্ষ পরিদর্শক ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা/কর্মচারী পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অবহেলা ও গাফিলতি করলে তার বিরতদ্ধে বিভাগীয় ব্যবসহা গ্রহণ করা হবে । ২৩. পরীক্ষার পর কেন্দ্র থেকে উত্তরপত্র প্রেরণ: প্রতিদিন পরীক্ষা শেষে প্রতি ১০০ (একশত) উত্তরপত্র ত্রুমিক নম্বরের ত্রুমানুসারে সাজিয়ে তার উপর পূরণকৃত টপশীট এঁটে একটি প্যাকেট করতে হবে। অতঃপর এইরদপ তিনটি প্যাকেট অর্থাৎ ৩০০ (তিনশত) উত্তরপত্র মার্কিন কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে একটি বড় প্যাকেট তৈরি করে এর ওপর স্পষ্ট অক্ষরে ও নির্ভুলভাবে সংশ্লিষ্ট উপপরিচালকের ঠিকানায় ঐ দিনই ২০০ (দুইশত) টাকার বীমাকৃত পার্সেল ডাকযোগে প্রেরণ করতে হবে। অনিবার্য কারণবশত ঐ দিন উত্তরপত্র প্রেরণ করা সম্ভব না হলে তা ট্রেজারী/রাষ্ট্রীয় ব্যাংক/থানার হেফাজতে সংরক্ষণ করে পরদিন পাঠাতে হবে। ২৪. বিষয় কোড: উত্তরপত্রের প্যাকেটসমূহের ওপর অবশ্যই বিষয় কোড উল্লেখ করতে হবে। বিভিন্ন বিষয়ের জন্য কোড নিমণরদপ হতে পারে: L. বাংলা ০১ M. ইংরেজি ০২ N. গণিত ০৩ O. পরিবেশ পরিচিতি(সমাজ ও বিজ্ঞান) ০৪ ২৫. উত্তরপত্র কোডিং ও উত্তরপত্র মূল্যায়ন: ২৫.১ বিভাগীয় দপ্তর কম্পিউটার কেন্দ্র থেকে কোড নম্বর সংগ্রহ করে ঐ কোড নম্বর খাতায় ব্যবহার করবে। ২৫.২ প্রত্যেক বিভাগীয় দপ্তর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তরপত্রসমূহের কোডিং কাজ সম্পন্ন করে উত্তরপত্র ও নম্বরফর্দ সংশ্লিষ্ট পরীক্ষকের নিকট প্রেরণ করবে। এক্ষেত্রে কমবেশি প্রতি ৩০০ উত্তরপত্রের জন্য একজন পরীক্ষক নিয়োগ করা যেতে পারে; ২৫.৩ উত্তরপত্রের পরীক্ষক খাতা পরীক্ষার কাজ সম্পন্ন করে অাবশ্যিকভাবে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে উত্তরপত্র ও নম্বরফর্দ প্রধান পরীক্ষক-এর নিকট প্রেরণ করবেন; ২৫.৪ প্রধান পরীক্ষক নিরীক্ষক দ্বারা সকল উত্তরপত্র পরীক্ষা করে কমপক্ষে ৫% উত্তরপত্র পুনঃপরীক্ষণ করে অাবশ্যিকভাবে নম্বরফর্দসমূহ নির্ধারিত তারিখের মধ্যে (তার অনুকূলে বরাদ্দ কোডসমূহের) সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় উপপরিচালক বরাবরে প্রেরণ করবেন; 25.5 প্রধান পরীক্ষক পরীক্ষকদের নিকট থেকে নম্বরফর্দ প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গেই বিভাগীয় উপপরিচালক-এর নিকট প্রেরণ করবেন। বিভাগীয় উপপরিচালক তা কম্পিউটার কেন্দ্রে পাঠানো নিশ্চিত করবেন; ২৫.৬ উত্তরপত্র হারানো সম্পর্কে যুওিুসঙ্গত কারণ থাকলে তদমত সাপেক্ষে কর্তৃপক্ষ গড় নম্বর প্রদানের সিদ্ধামত গ্রহণ করবেন। তদমেত কেউ দোষী গন্য হলে তার বিরতদ্ধে বিভাগীয় ব্যবসহা নিতে হবে। ২৬. পরীক্ষক নিয়োগ: সরকারি/রেজিস্টার্ড বেসরকারি/পরীক্ষণ বিদ্যালয়ের শিক্ষকশিক্ষিকাদের জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পরীক্ষক নিয়োগ করা যাবে (শিক্ষকতার কমপক্ষে তিন বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে)। উপজেলা/থানা সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে পরীক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা যেতে পারে। ২৭. পরীক্ষকের দায়িত্ব ও কর্তব্য: ২৭.১ তিনি যথাসময়ে পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের নির্দেশনাপত্র মোতাবেক মূল্যায়ন করবেন; ২৭.২ উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতাকে সর্বোচ্চ সহান দেবেন; ২৭.৩ কোন সমস্যার উদ্ভব হলে প্রধান পরীক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করে তা নিরসন করবেন । ২৮. প্রধান পরীক্ষক নিয়োগ: অবসরপ্রাপ্ত পিটিঅাই সুপার, সহকারী সুপার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার, পিটিঅাই ইনস্ট্রাক্টর, কর্মরত প্রধান শিক্ষক ও অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে(স্মাতক ডিগ্রীধারী ও প্রধান শিক্ষক হিসাবে পাঁচ বৎসরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে)প্রধান পরীক্ষক নিয়োগ করা যাবে। কর্মরত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার/উপজেলা শিক্ষা অফিসার, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার, পিটিঅাই সুপার, সহকারী সুপার ও ইন্সট্রাক্টর অাগ্রহী হলে প্রধান পরীক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় উপপরিচালক প্রধান পরীক্ষক হিসেবে মনোনয়ন দেবেন। একটানা ৩ (তিন) বছরের বেশি কাউকে প্রধান পরীক্ষক নিয়োগ করা যাবে না। ২৯. প্রধান পরীক্ষকের দায়িত্ব ও কর্তব্য: ২৯.১ যথাসময়ে পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের নির্দেশনা প্রসতুত করবেন এবং বিভাগীয় দপ্তরে প্রেরণ করবেন; ২৯.২ ৪(চার) জন যোগ্য ও দক্ষ নিরীক্ষক বাছাই করে তাদের নাম প্রসতাবপূর্বক বিভাগীয় দপ্তর থেকে অনুমোদন গ্রহণ করবেন; ২৯.৩ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের প্রধান পরীক্ষক তার নিরীক্ষকগণের দায়িত্ব বণ্টন পূর্বক তাদের কাজ তদারকি করবেন; ২৯.৪ প্রধানপরীক্ষক এ মর্মে নিরীক্ষকগণকে পরামর্শ প্রদান করবেন যে, উত্তরপত্র পরীক্ষক কর্তৃক প্রদত্ত নম্বর যোগে ভুল বা অতিরিওু নম্বর প্রদান করা হলে তা প্রধান পরীক্ষকের গোচরে অানবেন ও প্রয়োজনে সংশোধন করাবেন; ২৯.৫ বেশী উচ্চ নম্বর প্রাপ্ত এবং প্রামিতকভাবে ফেল নম্বরপ্রাপ্ত পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র মূল্যায়নের মান পুনঃযাচাই করে দেখবেন; ২৯.৬ নিরীক্ষকদের মাধ্যমে সকল উত্তরপত্র যথাসময়ে সঠিকভাবে নিরীক্ষণ করাবেন; ২৯.৭ মোট উত্তরপত্রের ৫% উত্তরপত্র তিনি নিজেই নিরীক্ষণ করবেন এবং তিনি প্রাপ্ত সমগ্র উত্তরপত্রে স্বাক্ষর করবেন; ২৯.৮ পরীক্ষকদের দক্ষতা মুল্যায়নের জন্য ক, খ, গ ও ঘ নম্বরে চিহিুত করবেন ( ক-অতিউত্তম, খ-উত্তম, গ-চলতিমান সম্পন্ন, ঘ-চলতি মানের নিচে ); ২৯.৯ যথাসময়ে পরীক্ষক, নিরীক্ষক ও তার নিজের পারিশ্রমিক বিল যথাযথভাবে পূরণপূর্বক বিভাগীয় দপ্তরে প্রেরণ করবেন; 29.10 নিরীক্ষিত উত্তরপত্র যথাসময়ে বিভাগীয় দপ্তরে প্রেরণ করবেন। ৩০. নিরীক্ষক নিয়োগ: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, পরীক্ষণ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, পিটিঅাই ইন্সট্রাক্টর ও এইউইওগণ উত্তরপত্র নিরীক্ষক হিসেবে কাজ করতে পারবেন। ৩১. নিরীক্ষকের দায়িত্ব ও কর্তব্য: ৩১.১ প্রধান পরীক্ষকের নেতৃত্বাধীন ও তত্তবাবধানে নিরীক্ষকগণ উত্তরপত্রের নম্বর গণনা করে নম্বরপত্রের সঙ্গে এবং খাতায় প্রাপ্ত মোট নম্বর মিলিয়ে দেখবেন। এক্ষেত্রে কোন প্রকার গরমিল বা ~~শথিল্য পরিলক্ষিত হলে তা প্রধান পরীক্ষকের দৃষ্টি গোচর করবেন; ৩১.২ পরীক্ষক কোন প্রশণপত্র মূল্যায়ন না করে থাকলে নিরীক্ষক তা প্রধান পরীক্ষকের গোচরে নেবেন এবং প্রধান পরীক্ষক তা নিজেই মূল্যায়ন করবেন। তবে এরদপ ভুলের জন্য সংশ্লিষ্ট পরীক্ষক সম্পর্কে মমতব্য সংরক্ষণ করবেন; ৩১.৩ অতিরিত্তু নম্বর এবং কম নম্বর প্রদানের বিষয়ে প্রধান পরীক্ষক নিশ্চিত হয়ে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষককে ডেকে সংশোধন করে নেবেন। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষক উত্তরপত্র পুনরায় মূল্যায়নের কাজে ব্যর্থ হলে প্রধান পরীক্ষক অন্য পরীক্ষক দ্বারা উত্তরপত্র পুনরায় মূল্যায়ন করাতে পারবেন। এক্ষেত্রে প্রধান পরীক্ষকের সুপারিশত্রুমে তার সম্পূর্ণ পারিশ্রমিক কর্তন করা যেতে পারে; ৩১.৪ উচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত এবং প্রামিতকভাবে ফেল নম্বর প্রাপ্ত পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্রের ব্যাপারে নিরীক্ষক প্রধান পরীক্ষককে অবহিত করবেন; 31.5 তিনি উত্তরপত্রের নির্ধারিত সহানে স্বাক্ষরসহ তারিখ লিখবেন। ৩২. বৃত্তির ফলাফল তৈরি: ৩২.১ বিভাগীয় দপ্তর থেকে পাঠানো নম্বরফর্দ থেকে কম্পিউটার কেন্দ্রের কোডের বিপরীতে পরীক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর কম্পিউটারে এন্ট্রি করা হবে এবং এভাবে কোড নম্বরের বিপরীতে পরীক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বরের ডাটাবেইস (কোড ভার্সাস মার্কস) তৈরি করা হবে; ৩২.২ এসময়ে প্রাপ্ত নম্বরে কম্পিউটার প্রোগ্রামে কোনরদপ অসঙ্গতি ধরা পড়লে তা পুনরায় যাচাইয়ের জন্য বিভাগীয় দপ্তরে প্রেরণ করা হবে। পরবর্তীতে উত্তু নম্বরসমূহে কোন ভুল পরিলক্ষিত হলে তা সংশোধন করে একইভাবে কম্পিউটারে সংশোধন করার জন্য প্রেরণ করা হবে। ৩২.৩ পরীক্ষার্থীদের রোল বনাম কোড ডাটাবেইস আলাদা ভাবে প্রসওত করা হবে। পরে কোড বনাম রোল নম্বরের ডাটাবেইস কম্পিউটার কেন্দ্রকে হসতামতর করা হবে; ৩২.৪ কোড বনাম রোল নম্বরের ডাটাবেইস প্রাপ্তির পর কম্পিউটার সেন্টার বিভাগওয়ারি টেবুলেশনের কাজ ও বৃত্তি বণ্টনের কাজ সমাধা করবে। এসময় সব কটি বিভাগের ফলাফল একই সঙ্গে চূড়ামত না করে এক একটি করে বিভাগের ফলাফল প্রত্রিুয়াকরণ করা হবে । অবশ্য সকল বিভাগের ফলাফল একই সঙ্গে প্রকাশিত হবে; ৩২.৫ কম্পিউটার কেন্দ্র এরপর বিভিন্ন বিভাগের কম্পিউটারে ধারণকৃত ফলাফলের খসড়া কপি প্রিন্ট করবে। খসড়া ফলাফল প্রণয়নের পর বিভাগীয় দপ্তরসমূহ প্রয়োজনে খসড়া ফলাফলের সঠিকতা ব্যাপকভাবে যাচাই বাছাই করবে। ফলাফল সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পর এবং কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদনের পরই কেবল ফলাফল প্রকাশিত হবে। ৩৩. ফলাফল প্রকাশ: ৩৩.১ ফলাফল যাচাই করার পর বিভাগওয়ারি ফলাফলের প্রয়োজনীয় সংখ্যক কপি তৈরি করা হবে এবং ফলাফল প্রকাশের অল্প সময়ের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের টেবুলেশান শীট ও বিদ্যালয়ওয়ারি সারাংশ বিভাগীয় দপ্তরে প্রেরণ করা হবে; ৩৩.২ ফলাফল প্রকাশের পর কোন ভুল পরিলক্ষিত হলে বিভাগীয় উপপরিচালক যথাযথ এবং প্রামাণ্য রেকর্ডপত্রের ভিত্তিতে তা সংশোধন করবেন এবং মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে তা অবহিত করবেন; 33.3 বৃত্তিপ্রাপ্ত বা কোন পরীক্ষার্থীর বিরতদ্ধে কোন অভিযোগ পাওয়া গেলে বিভাগীয় উপপরিচালক যথাযথ এবং প্রামাণ্য রেকর্ডপত্রের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবসহা গ্রহণ করবেন এবং মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে তা অবহিত করবেন। ৩৪. বৃত্তিপরীক্ষার ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন/নিরীক্ষণ: প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষা কোন শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরিচালিত কোন পাবলিক পরীক্ষা নয়। এটি একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা, কাজেই কোন অভিভাবককে পরীক্ষার খাতা দেখানো বা নম্বর প্রদান করা যাবে না এবং খাতা পুনঃমূল্যায়নও করা যাবে না। তবে কোন অভিভাবক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের ত্রিশ(৩০) দিনের মধ্যে উত্তরপত্র পুনঃ নিরীক্ষার যৌত্তিুকতা প্রদর্শন করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট উপপরিচালক বরাবর অাবেদন করলে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপপরিচালক উত্তু উত্তরপত্র পূনঃনিরীক্ষার প্রয়োজনীয় ব্যবসহা নিতে পারেন। নিরীক্ষামেত ফলাফল আবেদনকারীকে যথাসময়ে জানাতে হবে। এক্ষেত্রে পুনঃনিরীক্ষা ফি বাবদ প্রতি বিষয়ের জন্য ২০০/- (দুইশত) টাকার ব্যাংক ড্রাফট(অফেরতযোগ্য) সংশ্লিষ্ট উপপরিচালকের অনুকূলে জমা দিতে হবে। উওু অর্থ পুনঃনিরীক্ষা সংএুামত কার্যএুমে ব্যয়িত হবে। ৩৫. উত্তরপত্র সংরক্ষণ সম্পর্কিত জ্ঞাতব্য: প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের তিন মাস পরে উত্তরপত্রগুলি নিলামে বিধি মোতাবেক বিত্রুয়ের ব্যবসহা করা যাবে। এক্ষেত্রে নিলামে বিত্রুয়ের পূর্বে উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠা বিনষ্ট করতে হবে। ৩৬. প্রাথমিক বৃত্তি কার্যত্রুম ও ফলাফল প্রকাশের কার্যকাল: প্রাথমিক বৃত্তি কার্যত্রুম ও ফলাফল প্রকাশের কার্যকালসহ প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষা একটি বছরওয়ারি কার্যত্রুম। প্রতিবছর বিভিন্ন কার্যাবলি যথাযথভাবে সম্পন্ন করার জন্য একটি সময়সূচি প্রণয়ন করা হয়, যা সংশ্লিষ্ট সবাইকে কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। ৩৭. অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকসহ সহকারী শিক্ষকদের বিরতদ্ধে গৃহীত ব্যবসহা: যে সকল বিদ্যালয় থেকে ছাত্রছাত্রীরা সকল বিষয়ে বৃত্তি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হবে (৩৩% এর নিচে প্রাপ্ত নম্বর) সে সকল বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ সহকারী শিক্ষকদের বিরতদ্ধে বিভাগীয় ব্যবসহা নেওয়া হবে। অধিদপ্তরের এমঅাইএস সেল থেকে বিদ্যালয়ভিত্তিক মার্ক রেঞ্জ সংশ্লিষ্ট উপপরিচালকের বরাবরে প্রেরণ করলে উপপরিচালক তার অাওতাধীন সকল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে ১০০ ভাগ ছাত্রছাত্রী অকৃতকার্য হয়েছে এমন বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরতদ্ধে বিভাগীয় ব্যবসহা গ্রহণের নির্দেশ দেবেন। ৩৮. উত্তরপত্র সংরক্ষণ: ফলাফল প্রকাশের তিন মাসের মধ্যে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলের উপর অাদালতে অথবা দুর্নীতি দমন ব্যুরোতে কোন মামলা রতজু হলে মামলার প্রয়োজনে উত্তু উত্তরপত্রগুলো সংরক্ষণ করতে হবে। ৩৯. শ্রততি লেখক নিয়োগ: বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যদি কোন প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী শ্রততি লেখক নিয়োগ করতে চায় সেক্ষেত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার ৩ (তিন) মাস পূর্বে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট উপপরিচালক বরাবর অাবেদন করে তাকে অনুমতি নিতে হবে। শ্রততি লেখক একই বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থীর বেশী হতে পারবে না। ৪০. প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষা সংত্রুামত সমস্যায় তাৎক্ষণিক করণীয়: প্রাথমিক বৃত্তিপরীক্ষা সংত্রুামত কোন সমস্যা, প্রণীত এ নীতিমালার অালোকে তাৎক্ষণিকভাবে নিষ্পত্তি করা না গেলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বিভাগীয় প্রধান হিসেবে যুত্তিুসঙ্গতভাবে তা নিষ্পত্তি করতে পারবেন । তবে জাতীয় কমিটির পরবর্তী সভায় বিষয়টি উপসহাপনপূর্বক অনুমোদনের ব্যবসহা গ্রহণ করতে হবে।
|